ঘরে সৌভাগ্য ও সুস্বাস্থ্য বয়ে আনা গাছ

ঘরে সৌভাগ্য ও সুস্বাস্থ্য বয়ে আনা গাছ

অল্প আলোতে এবং ঘরের ভেতর বেঁচে থাকার ক্ষমতা সম্পন্ন গাছগুলো হাউসপ্ল্যান্ট হিসেবে পরিচিত। যা ঘরের পাশাপাশি অফিসের ডেস্কেও শোভা বাড়াতে দেখা যায়। কিন্তু আপনি কি জানেন, এমন কিছু গাছ রয়েছে যা ঘরে সৌভাগ্য ও সুস্বাস্থ্য নিয়ে আসতে পারে? জেনে নিন, এমন কিছু গাছের কথা।

  • পিস লিলি : উজ্জ্বল সাদা ফুলসহ গাঢ় সবুজ এই গাছটি ঘরের দূষিত বায়ু পরিষ্কার করে। অ্যাজমা, মাথাব্যথা, ক্রনিক অসুখ, ক্যানসার সহ বেশ কিছু রোগ প্রতিরোধ করে এই গাছ। ঘর থেকে ফরমালডিহাইড, বেনজিন, কার্বন মনোক্সাইড দূর করে। সিগারেটের ধোঁয়া, পেইন্ট ও ফার্নিচারের ধূলা এসব থেকে আপনার শরীরকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করবে পিস লিলি।
  • ক্যাকটাস : মেক্সিকোতে প্রাচীনকাল থেকে ফুলসহ ক্যাকটাসকে সৌভাগ্যের প্রতীক মানা হয়। মেক্সিকোতে প্রচলিত বিশ্বাস হলো- যে ঘরে ক্যাকটাসে ফুল ফোটে, তার মালিক শিগগিরই কোনো সুসংবাদ পাবেন। আপনিও ঘরে ক্যাকটাসের গাছ রেখে সুখবর পাওয়ার আশা করতে পারেন।
  • মানি প্ল্যান্ট : মানি প্ল্যান্ট ঘরে পজিটিভ এনার্জি তৈরি করে সৌভাগ্য নিয়ে আসে, এমন ধারণা অনেক পুরোনো। চীনারা নতুন বছরের উপহার হিসেবে একে অন্যকে মানি প্ল্যান্ট উপহার দেন। একটা শর্ত হলো- মানি প্ল্যান্টের লতা সব সময় উপরের দিকে মুখ করে থাকলেই আপনি অর্থ কড়ি পাবেন।
  • তুলসী : প্রাচীনকাল থেকে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের কাছে পবিত্র এই গাছ। ঠান্ডা থেকে রেহাই পেতে ওষুধ হিসেবেও তুলসীর রস সেবন করেন অনেকে। খাবার ও পানি শুদ্ধ করতে তুলসীর পাতা ব্যবহার করা হয়। ঘর থেকে নেগেটিভ এনার্জি দূর করে ও পরিবারে আর্থিক স্বচ্ছলতা আনে এমন বিশ্বাস আছে অনেকের মনে।
  • রোজমেরি : মস্তিষ্কের ক্ষমতা বাড়াতে, ভালোবাসা বাড়িয়ে দিতে এই গাছ উপকারী। এটি আপনার মনকে রিলাক্স ও তারুণ্যদীপ্ত রাখবে। শরীর সুস্থ রাখতেও এটি উপকারী।
  • জেসমিন : ভালোবাসা জাগিয়ে তোলে জেসমিন। এছাড়া অর্থ ও আধ্যাত্মিকতাও বাড়িয়ে দেয় এটি।
  • ল্যাভেন্ডার : মুড ভালো করতে, মানসিক শান্তি বাড়াতে পারে ল্যাভেন্ডার।
  • অর্কিড : ভালোবাসা, বন্ধুত্ব গভীর করতে, মনকে শান্ত রাখতে সাহায্য করে অর্কিড।
  • গোলাপ : ঘরে গোলাপের গাছ থাকলে তা ভালোবাসা ও সৌভাগ্য নিয়ে আসে মনে করা হয়। একেক রঙয়ের গোলাপ একেকটি ভালো বার্তা নিয়ে আসে। সাদা গোলাপ পবিত্রতা নিয়ে আসে। লাল গোলাপ সত্যিকারের ভালোবাসা আনে, এমন সব বিশ্বাস প্রচলিত আছে যুগ যুগ ধরে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *